৩৫তম বিসিএসের বিজ্ঞাপ্তি দেয়া হয়েছে সেই ২০১৪ সালের ২৩ সেপ্টেম্বর, এখনো ভাইভা শেষ হয় নি, তবে ভাইভা এখন একেবারে শেষের দিকে, তাই এই মাসেই ভাইভা শেষ হচ্ছে এটা নিশ্চিত। কিন্তু ভাইভা রেজাল্ট হাতে পেতে জুন-জুলাই লেগে যেতে পারে। তাই এখনই শুরু হয়ে গেছে ক্যাডার পাওয়া-না পাওয়ার হিসেব-নিকাশ।
৩৫তম বিসিএস বিজ্ঞপ্তিতে সর্বমোট ১৮০৩ টি শূন্য পদের উল্লেখ ছিল, কিন্তু ৩৪তম বিসিএসের প্রায় ৪০৪ পদ শূন্য থাকায় সব মিলিয়ে প্রায় ২৬০০ টি পদে এই ৩৫তম বিসিএস থেকে নিয়োগ দিবে বলে জানা গেছে। যেহেতু এবার বিসিএসে অনেক কম পরীক্ষার্থী পাশ করেছেন এবং কোটা আগের মতো প্রফেশনাল ও টেকনিক্যাল ক্যাডারে প্রয়োগ করা হবে না, সেই দিক থেকে উভয় ক্যাডারে যারা ভাইভা দিয়েছেন তারা অনেক ভাগ্যবান বলতেই হবে! এবং যেকোনো একটা ক্যাডার পাওয়া অনেকটাই নিশ্চিত বলা চলে!
আবার আসা যাক, আসলে কত নম্বর পেলে ৩৫তম
বিসিএসে ক্যাডার হওয়া সম্ভব?
এবার বিসিএসে যেহেতু গণিত প্রশ্ন অনেক কঠিন হয়েছে এবং অনেকটা সৃজনশীল প্রশ্নে পরীক্ষা হয়েছে, তাছাড়া মাত্র ৪ ঘণ্টায় বাংলাদেশ বিষয়াবলী অংশে ৪০ টি প্রশ্নের প্রশ্ন করতে হয়েছে যা অনেকেই সবগুলো প্রশ্নের উত্তর করতে পারেন নি, সেহেতু বলা চলে রিটেনে ৯০০ নম্বরের মধ্যে সব মিলিয়ে গড়ে ৫০ নম্বরের সামান্য বেশি অর্থাৎ ৪৬০-৪৮০ নম্বর আর ভাইভাতে ১১০-১৩০ এর মতো নম্বর পেলে প্রফেশনাল /টেকনিক্যাল ক্যাডার পাবেন ইনশাল্লাহ!
৩৪তম বিসিএসে পুলিশ ক্যাডারে নিয়োগের সুপারিশপ্রাপ্ত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ছাত্র শাহ আলম মনে করেন, " ৩৫তম প্রশ্ন দেখে মনে হয় রিটেন ভাইভা মিলেয়ে ৬৬০-৮০ নম্বর পেলে ভালো ক্যাডার পাওয়া সম্ভব। আর প্রফেশনাল ও টেকনিক্যাল ক্যাডারদের ক্ষেত্রে ৬০০-৬২০ নম্বর পেলেই হবে। তবে এখানে ভাগ্যের উপরও অনেক কিছু ডিপেন্ড করে।"
৩৪ তম বিসিএসে প্রশাসন ক্যাডারে নিয়োগের সুপারিশপ্রাপ্ত জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালের সাবেক ছাত্র ফয়সাল আহমেদ মনে করেন, "৩৫ তম বিসিএসে সব মিলেয়ে ৬৪০-৬০ নম্বর পেলেই ভালো ক্যাডার পাওয়া সম্ভব।"
৩৫তম বিসিএস বিজ্ঞপ্তিতে সর্বমোট ১৮০৩ টি শূন্য পদের উল্লেখ ছিল, কিন্তু ৩৪তম বিসিএসের প্রায় ৪০৪ পদ শূন্য থাকায় সব মিলিয়ে প্রায় ২৬০০ টি পদে এই ৩৫তম বিসিএস থেকে নিয়োগ দিবে বলে জানা গেছে। যেহেতু এবার বিসিএসে অনেক কম পরীক্ষার্থী পাশ করেছেন এবং কোটা আগের মতো প্রফেশনাল ও টেকনিক্যাল ক্যাডারে প্রয়োগ করা হবে না, সেই দিক থেকে উভয় ক্যাডারে যারা ভাইভা দিয়েছেন তারা অনেক ভাগ্যবান বলতেই হবে! এবং যেকোনো একটা ক্যাডার পাওয়া অনেকটাই নিশ্চিত বলা চলে!
আবার আসা যাক, আসলে কত নম্বর পেলে ৩৫তম
বিসিএসে ক্যাডার হওয়া সম্ভব?
এবার বিসিএসে যেহেতু গণিত প্রশ্ন অনেক কঠিন হয়েছে এবং অনেকটা সৃজনশীল প্রশ্নে পরীক্ষা হয়েছে, তাছাড়া মাত্র ৪ ঘণ্টায় বাংলাদেশ বিষয়াবলী অংশে ৪০ টি প্রশ্নের প্রশ্ন করতে হয়েছে যা অনেকেই সবগুলো প্রশ্নের উত্তর করতে পারেন নি, সেহেতু বলা চলে রিটেনে ৯০০ নম্বরের মধ্যে সব মিলিয়ে গড়ে ৫০ নম্বরের সামান্য বেশি অর্থাৎ ৪৬০-৪৮০ নম্বর আর ভাইভাতে ১১০-১৩০ এর মতো নম্বর পেলে প্রফেশনাল /টেকনিক্যাল ক্যাডার পাবেন ইনশাল্লাহ!
৩৪তম বিসিএসে পুলিশ ক্যাডারে নিয়োগের সুপারিশপ্রাপ্ত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ছাত্র শাহ আলম মনে করেন, " ৩৫তম প্রশ্ন দেখে মনে হয় রিটেন ভাইভা মিলেয়ে ৬৬০-৮০ নম্বর পেলে ভালো ক্যাডার পাওয়া সম্ভব। আর প্রফেশনাল ও টেকনিক্যাল ক্যাডারদের ক্ষেত্রে ৬০০-৬২০ নম্বর পেলেই হবে। তবে এখানে ভাগ্যের উপরও অনেক কিছু ডিপেন্ড করে।"
৩৪ তম বিসিএসে প্রশাসন ক্যাডারে নিয়োগের সুপারিশপ্রাপ্ত জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালের সাবেক ছাত্র ফয়সাল আহমেদ মনে করেন, "৩৫ তম বিসিএসে সব মিলেয়ে ৬৪০-৬০ নম্বর পেলেই ভালো ক্যাডার পাওয়া সম্ভব।"






