Monday, 23 July 2018

নতুনেরা কীভাবে একেবারে শূন্য থেকে শুরু করবেন BCS প্রিপারেশন???

* নতুনেরা কীভাবে একেবারে শূন্য থেকে শুরু করবেন BCS প্রিপারেশন???
জেনে নিন বিসিএস প্রস্তুতির A-Z
©©© গাজী মিজানুর রহমান
__________________________________
যারা অনার্স প্রথম বর্ষে পড়েন কিংবা দ্বিতীয় বর্ষে অথবা তৃতীয়,  চতুর্থ বর্ষে পড়েন কিন্তু জানেন না কিভাবে বিসিএস প্রিপারেশন শুরু করবেন। অথবা অনেকই এমন আছেন যে, অনার্স মাস্টার্স শেষ, বিসিএস ক্যাডার হওয়া স্বপ্ন;  কিন্তু কিভাবে বিসিএস প্রস্তুতি শুরু করবেন না জানার কারণে। এমনও হয়েছে যে, অনেকে কাছে  এই বিষয়ে জানার জন্য কিংবা গাইডলাইন পাওয়ার জন্য গিয়েছেন কিন্তু পান নি অথবা পেলেও তা মন:পূত হয়নি।
আজ আমি চেষ্টা করবো সেই প্রশ্নগুলোর উত্তর খুঁজে পেতে সাহায্য করতে।

*প্রথমে আপনি নিজেই নিজেকে জিজ্ঞেস করুন আপনি কোন বিষয়ে দুর্বল।  আপনার কাছে সবচেয়ে কঠিন যে বিষয়টা/বিষয়গুলো মনে হয় সেই বিষয় দিয়ে শুরু করুন।
.
আমি দেখেছি বাংলাদেশের অধিকাংশ চাকরি প্রত্যাশী English এবং Math এ দুর্বল ।  আবার এর পরের স্থানে আছে বাংলা কিংবা বিজ্ঞানের মতো বিষয়গুলো।

আপনি যদি গণিতে দুর্বল হন আগে গণিতের একটা চার্ট কিনে বেসিক  সূত্রগুলো মুখস্থ করে ফেলুন প্রতিদিন ২/৩ টা করে। দৈনিক ২-৩ টার বেশি সূত্র পড়বেন না। কারণ একসাথে বেশি সূত্র পড়লে মনে থাকবে না ভালো করে। যদি এইভাবে পড়েন নিয়মিত, দেখবেন আপনার সব সূত্র মুখস্থ হয়ে গেছে ১-২ মাসের মধ্যে। এর পাশাপাশি দৈনিক রুটিনে ক্লাস ফাইভ থেকে টেন পর্যন্ত টেক্সবুকের অংকগুলো করে ফেলুন। যদি কারো হাতে এতো সময় না থাকে আমি বলবো আপনি অন্তত ৮ম শ্রেণি ও ৯ম-১০ম শ্রেণির গণিত বই ২টি শেষ করেন। আর যদি এই ২টি বইও শেষ করার মতো হাতে যথেষ্ট সময় না থাকে তাহলে আপনাকে ৯ম-১০ম শ্রেণির সাধারণ গণিত বইটি অবশ্যই শেষ করতে হবে।  গণিতে ভালো করার জন্য প্র‍্যাক্টিসের কোনো বিকল্প নেই। তারপর বিসিএস প্রিলিতে আসা বিগত সালের গণিতে প্রশ্নগুলো সমাধান করে ফেলুন।  এরপর George's MP3 Math বইটি বুঝে বুঝে করে ফেলুন, দেখবেন আপনার গণিতে ভয় কেটে গেছে। (প্রয়োজনে অভিজ্ঞদের সাহায্য নিন কিংবা গ্রুপ স্টাডি করুন) আবারো বলছি গণিতে ভালো করতে নিয়মিত ও বেশি বেশি প্র‍্যাক্টিসের কোনো বিকল্প নেই। এই ভাবে পড়লে বিসিএস রিটেনের ম্যাথের জন্যও আপনাকে বেশি ভাবতে হবে না।
*
এবার আসা যাক স্টুডেন্টদের জাতীয় সমস্যা ইংলিশের বিষয়ে আলোকপাত করা যাক। ইংলিশের জন্য আমি আগে বলবো আপনি একটা বেসিক ইংলিশ বই শেষ করুন (যেমন Advance Learners' Functional  English by Chowdhur & Hossain ,  Applied English Grammar and Composition - by P C Das বইগুলো শেষ করুন বিসিএস প্রিলি সিলেবাস অনুযায়ী।  তবে প্রতিদিন সকালে ঘুম থেকে ওঠে ২টি গণিত সূত্র মুখস্থ করার সাথে সাথে Saifur's Vocabulary থেকে ৫-৬ টি শব্দ মুখস্থ করুন।  Vocabulary পড়ার সময় একটু শব্দ করে পড়বেন এবং খাতায় বার বার লিখবেন তাহলে মনে থাকবে বেশি দিন।
অনেকে আবার বলতে পারেন, Vocabulary পড়ি কিন্তু মনে থাকে না, কি করব?

তাদের বলবো, আপনি যখন প্রথমবার  Word Meaning পড়েন তখন মনে করবেন প্রথম কিছু মনে থাকবে না, তারপর পড়ুন কিছু মনে থাকবে, আবার পড়ুন ক্রমান্বয়ে মনে থাকার পরিমাণ বাড়বে। Vocabulary বইয়ের মধ্যকার শুধু বড় বড় শব্দগুলো পড়বেন বাংলা অর্থসহ,  তারপর সাথে Synonym পড়বেন,   তৃতীয়বার মূল শব্দের সাথে Antonym পড়বেন। চতুর্থবার  মুল শব্দের সাথে Synonym এবং Antonym মিলেয়ে পড়বেন। এইভাবে পড়লে Effective হবে।
*এরপর বেসিক পড়া শেষ হলে "English For Competitive" বইটি কিনে প্র‍্যাক্টিস করা শুরু করে দিন।
মনে রাখবেন আগে বেসিক English Grammar শেষ করতে হবে তারপর প্র‍্যাক্টিস বুক কিনবেন এবং পড়বেন। আগে বেসিক না জেনে পড়লে ভালো করতে পারবেন না ইংলিশে!

তাছাড়া,  আপনার হাতে যদি সময় থাকে দৈনিক  Daily Star পেপারটি পড়ার অভ্যাস গড়ে তোলুন। Daily English Newspaper  পড়লে এটা বিসিএস রিটেনেও ফ্রি-হ্যান্ড রাইটিং ও ট্রান্সলেশনে কাজে দিবে।
.
.* এরপর আসি বিজ্ঞানের কথায়। যারা সাধারণ স্টুডেন্ট,  অর্থাৎ SSC /HSC বিজ্ঞান বিভাগে পড়েননি,  তাদের মনে  বিসিএস প্রিলির বিজ্ঞান নিয়ে কিছুটা ভয় কাজ করে। আমি বলবো এই নিয়ে আতংকিত বা ভয় পাওয়ার কিছু নেই। আমিও SSC ও HSC দুটিতেই মানবিক বিভাগে ছিলাম। বিজ্ঞান নিয়ে আমার সমস্যা হয়নি, আপনারও হবে ইনশাল্লাহ।   আপনি বিগত সালের বিজ্ঞানের প্রশ্নগুলো ব্যাখ্যাসহ পড়লে ১৫ এর মাঝে ১০-১২ এমনিতে পাবেন। আর যদি আনকমন প্রশ্ন আসেসে আপনাকে চিন্তা করতে হবে না, কারণ আনকমন প্রশ্ন আসলে আপনি না পড়লে যারা সাইন্স গ্রুপের স্টুডেন্ট তারাও এমন প্রশ্নের উত্তর দিতে পারবে না। যেমনটা আমরা ৩৮তম বিসিএস প্রিলির বেলায় দেখেছি, এই ক্ষেত্রে George's MP3  বিজ্ঞান বইটি আপনাকে সাপোর্ট দিবে।
* কম্পিউটার ও ICT তে ভালো করতে Easy Computer  বইটি + একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণির প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান লিখিত বইটি পড়ে ফেললে কম্পিউটার ও ICT নিয়ে আর কোনো সমস্যা থাকবে না।
*আর অন্যান্য বিষয়ে একটু মনোযোগ দিয়ে পড়লেই ভালো করা যায়।
.
***বি.দ্র: আপনি যেসব বিষয়ে দুর্বল তা দিয়ে শুরু করার পর আপনি যখন দেখবেন যে- আপনি  আর কোনো বিষয়ে দুর্বল  নয়, তখন আপনার মনোবল ও আত্মবিশ্বাস  অনেক গুণ বেড়ে যাবে। আর মনে রাখবেন বিসিএস হলো মনোবল ও আত্মবিশ্বাসের পরীক্ষা, যার মনোবল ও আত্মবিশ্বাস যত বেশি সে তত দ্রুতই সফল হবে ইনশাআল্লাহ!
.
*এগুলো শেষ কারর পর, এরপর বিসিএসের বিগত সালে আসা প্রশ্নগুলো ব্যাখ্যাসহ বুঝে বুঝে ভালোভাবে সমাধান করুন। তারপর আপনি বিষয়ভিত্তিক বিষয়গুলোর উপর পর্যায়ক্রমে প্রস্তুতি নিন।
এই ক্ষেত্রে আপনার ২ ধরনের লাভ হবে:
১. বিসিএস প্রিলির প্রশ্ন সম্পর্কে ধারণা পাবেন
২. বিসিএসে বিগত সাল থেকে হুবহু অনেক প্রশ্ন আসে, অতএব আপনি অনেক প্রশ্ন কমন পাবেন(বিশেষ করে বিজ্ঞান ও ICT অংশে)।
*তবে আপনি যখন প্রশ্ন সমাধান করবে বিশেষভাবে জোর দিবেন ৩৫তম-৩৮তম বিসিএস প্রশ্নের উপর,  কেননা এগুলো নতুন সিলেবাসের প্রশ্ন আর এখন এই নতুন সিলেবাস অনুযায়ী প্রশ্ন হয়।
বিগত সালের প্রশ্ন সমাধানের জন্য আপনি প্রফেসর'স প্রশ্নব্যাংক/ওরাকল প্রিলির প্রশ্নব্যাংক ফলো করতে পারেন। আমার লিখিত "BCS Preliminary Analysis" বইয়ে আপনারা নতুন সিলেবাস অনুযায়ী প্রশ্নগুলোর অর্থাৎ ৩৫তম-৩৮তম বিসিএস প্রিলির প্রশ্নের সমাধান পাবেন ব্যাখ্যাসহ সুন্দরভাবে ; এর সাথে সাজেশন ও টেকনিকসহ তো সকল সাবজেক্টের উপর গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা থাকছেই।
* আরেকটি বিষয় মনে রাখতে হবে, প্রত্যেক মাসে আপডেট থাকার জন্য "মাসিক কারেন্ট অ্যাফেয়ার্স" পড়তে হবে।

*আর যাদের হাতে সময় কম বা এত বেশি বই পড়তে পারেন না তারা একটু ধৈর্য ধারণ করে "BCS Preliminary Analysis" বইটির জন্য অপেক্ষা করার জন্য বিশেষ অনুরোধ রইল।
.
*শুধু "BCS Preliminary Analysis" বইটি পড়লেই ইনশাল্লাহ বিসিএস প্রিলি পাশ করতে পারবেন। কিন্তু বেশি বেশি জানার জন্য বেশি বেশি পড়ার বিকল্প নেই।

*সবাই ভালো থাকবেন, সুস্থ থাকবেন, নিরাপদে থাকবেন এবং জীবনে পরিশ্রম করলে যেন সফল হোন সেই শুভ কামনা রইল। আর হতাশ হওয়ার কিছু নেই; কখনো হতাশ হবেন না। সব সময় আল্লাহর উপর ভরসা রাখুন। আল্লাহ সব সময় পরিশ্রমীদের সাথেই আছেন।  আরেকটি বিষয় মনে রাখতে হবে একনিষ্ঠ ও সৎ উদ্দেশ্যে পরিশ্রম কখনো বিফলে যায় না।
.
*আমি নিজেই অনার্স পরীক্ষার পর রেজাল্ট বের হয়নি তখনো, এপিয়ার্ড দিয়ে জীবনের প্রথম বিসিএস ৩৪তম বিসিএসে প্রিলি. রিটেন, ভাইভা পাশ করার পরও পিএসসি আমাকে কোনো ক্যাডার দেয়নি, সেইবার আমি নন-ক্যাডার জব পেয়েছিলাম যদিও সেই জবে আমি জয়েন করিনি। কারণ  এরই মাঝে আমি পূবালী ব্যাংকে সিনিয়র অফিসার হিসেবে জব পেয়ে গেলাম। তারপর ৩৫তম বিসিএস দিলাম। আল্লাহর অশেষ রহমতে ও সকলের দোয়ায় ৩৫তম বিসিএসে এসে  সেই বহুল কাঙ্ক্ষিত "বিসিএস ক্যাডার" টাইটেল পেয়ে গেলাম এবং পূবালী ব্যাংকের জবটা ছেড়ে দিলাম। তারপর ৩৬তম বিসিএস দিলাম এডমিন ক্যাডার হওয়ার মনসে কিন্তু  পিএসসি দিল না! আবার গত ০২/০১/২০১৮ তে ৩৭তম বিসিএস ভাইভা দিয়ে আসলাম; সেখানেও নন-ক্যাডার।  সর্বশেষ ৩৮তম প্রিলিতে কোনো কিছু  না পড়েই এমনিতে প্রিলিতে অংশগ্রহণ করলাম, আলহামদুলিল্লাহ্‌ ৩৮তম প্রিলিতেও পাশ। এই নিয়ে টানা ৫টা  BCS প্রিলিতে পাশ!
*তাই বলছি পরিশ্রম করুন আল্লাহ কখনো খালি হাতে ফেরত দিবেন না, কিছু না কিছু দিবেনই।
__________________________________
©©© গাজী মিজানুর রহমান
***৩৫তম বিসিএস ক্যাডার ও সাবেক সিনিয়র অফিসার, পূবালী ব্যাংক লিমিটেড।
***প্রতিষ্ঠাতা ও পরিচালক: BCS টেকনিক (বিসিএস স্পেশাল প্রাইভেট প্রোগ্রাম)
©©© লেখক: BCS Preliminary Analysis ( বিসিএস প্রিলির ধারণা সম্পূর্ণ বদলে দিতে  বাংলাদেশের প্রথম বিসিএস প্রিলির সাজেশনভিত্তিক বই- BCS Preliminary Analysis।  বিসিএস জীবনের দীর্ঘ ৫ বছরের অভিজ্ঞতা,  নোট ও  সাজেশন দিয়ে রচিত। ইনশাল্লাহ,  এই এক বই ভালো করে বুঝে পড়লে বিসিএস প্রিলি পাস!  )

***BCS প্রিলির জন্য দৈনিক কয় ঘণ্টা পড়লে এবং কীভাবে পড়লে প্রিলি পাশ করা সম্ভব?

***BCS  প্রিলির জন্য দৈনিক কয় ঘণ্টা পড়লে এবং কীভাবে  পড়লে প্রিলি পাশ করা সম্ভব?
.
আপনি কতঘণ্টা পড়লে আপনার বিসিএস প্রিলির প্রিপারেশন কাভার করবে এটা বলা মশকিল। কারণ একেকজনের পড়ার স্টাইল একেক রকম।  আবার সবাই সমানতালে অনেক বেশি পড়তে পারে না। কেউ কেউ আবার অনেক বেশি পড়লেও মনে রাখতে পারে না। তাই Exact Time বলা অনেক কঠিন। তবে আমার মনে করি বিসিএস প্রিলির জন্য দৈনিক পরিকল্পনা করে কমপক্ষে ৬-৮ ঘণ্টা পড়া উচিৎ নতুনদের।

আমার মতে,  BCS প্রিলির সব টপিক না পড়ে কেবল বেছে বেছে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো বার বার পড়া উচিত। তাই বিসিএস প্রিলির প্রস্তুতি শুরু করার আগে কী কী পড়বেন সেটা না ঠিক করে আগে ঠিক করুন কী কী বাদ দিবেন। তাহলে আপনার বিসিএস সিলেবাস অনেক ছোট হয়ে যাবে, বিসিএস সিলেবাসকে মহাসাগর মনে হবে না এবং পড়তেও ভালো লাগবে।  কেননা,  আপনি যদি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলিই বার বার পড়েন তাহলে পরীক্ষার হলে উত্তর দিতে গেলে কনফিউজড হবেন না। আর যদি কোনো বিষয়ই ভালোভাবে না পড়ে সব বিষয়ই কোনো পরিকল্পনা ছাড়া পড়তে থাকেন তাহলে পরীক্ষার হলে দেখবেন কিছুই ভালোভাবে মনে করতে পারছেন না কিংবা কেবল কনফিউজড হয়ে যাচ্ছেন কোনটা সঠিক আর কোনটা ভুল।
আপনি দেখবেন প্রত্যেক বিসিএস প্রিলিতে ২০০টি প্রশ্নের মধ্যে ১৪০-১৫০টি প্রশ্ন একেবারে কমন টপিক থেকে আসে তারপর সবাই পারে না। এর মূল কারণ হলো গুরুত্বপূর্ণ এবং কম গুরুত্বপূর্ণ সব বিষয় পড়াতে পরীক্ষার হলে কমন বিষয়গুলো উত্তর দিতে পারছে না অনেকেই কিংবা পারলেও অনেক ভুল হয়ে যাচ্ছে। কিন্তু শুধু যদি কমন পারার প্রশ্নগুলোর উত্তর সঠিক ভাবে দেওয়া যায় তাহলে প্রিলিতে অনায়াসে পাশ করা যায়। কেননা, প্রিলিতে পাশ করার জন্য ২০০ নম্বরে  ১৮০-১৯০ পেতে হয় না ; ২০০ নম্বরের প্রিলিতে ১২০ নম্বর পেলে যেকোনো প্রশ্নে সেইফ মার্কস। 
যেমন,  ৩৮তম বিসিএস প্রিলি দেয়ার পর অনেকেই বলেছিল প্রশ্ন অনেক সহজ হয়েছে  এই প্রশ্নে ১৩০-১৪০ না পেলে টিকা সম্ভবপর নয়।  কিন্তু শেষে দেখা গেল ৩৮তম প্রিলি ১১০-১১৫  পেয়ে টেকে গেছে। মানে কার্ট মার্কস ছিল ১১০-১১৫ এর ভিতরে এতো সহজ প্রশ্নতে!
তাই আমি বলি কম Important টপিকগুলো বাদ দিয়ে শুধু বেশি Important টপিকগুলো পড়ে মাথা ঠাণ্ডা রেখে পরীক্ষা দিলে প্রিলি পাশ ইনশাল্লাহ!
আর এই কৌশলকে কাজে লাগিতে আল্লাহর রহমতে জীবনের প্রথম বিসিএস প্রিলি থেকে শুরু করে অর্থাৎ ৩৪তম বিসিএস প্রিলি থেকে ৩৮তম বিসিএস প্রিলি পর্যন্ত টানা ৫ টি বিসিএসের কোনোটাই ব্যর্থ হয়নি। যতবার পরীক্ষা দিয়েছি ততবারই পাশ করেছি। এমনি আমি পূবালী ব্যাংকে জব করার সময়ও ব্যাংকের এতো প্রেশারের মধ্যে যতবার প্রিলি দিয়েছি ততবার পাশ করেছি।
এইভাবে নিয়মিত পরিকল্পনা মাফিক পড়লে ইনশাল্লাহ সফলতা আসবেই। তাই বলি, উল্টাপাল্টা বেশি জিনিস না পড়ে কেবল গুরুত্বপূর্ণ জিনিসগুলো বারবার পড়ুন  ইনশাল্লাহ আমার মতো আপনিও ভালো ফল পাবেন।
*আর তাই বিসিএস ও সরকারি চাকরির প্রার্থীদের কথা ভেবেই শুধু গুরুত্বপূর্ণ টপিকগুলো নিয়ে বাংলাদেশের প্রথম সাজেশনভিত্তিক বিসিএস প্রিলি বই "BCS Preliminary Analysis" রচিত। এই বইয়ে সব বিষয়ের শুধু গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো সাজেশন আকারে গুছিয়ে দেয়া হয়েছে।

__________________________________
©©© গাজী মিজানুর রহমান
***৩৫তম বিসিএস ক্যাডার ও সাবেক সিনিয়র অফিসার, পূবালী ব্যাংক লিমিটেড।
***প্রতিষ্ঠাতা ও পরিচালক: BCS টেকনিক (বিসিএস স্পেশাল প্রাইভেট প্রোগ্রাম)
©©© লেখক: BCS Preliminary Analysis ( বিসিএস প্রিলির গতানুগতিক ধারণা সম্পূর্ণ বদলে দিতে শীঘ্রই আসছে বাংলাদেশের প্রথম বিসিএস প্রিলির সাজেশনভিত্তিক বই- BCS Preliminary Analysis। এই এক বই ব্যাখ্যাসহ বুঝে বুঝে পড়লে ইনশাল্লাহ প্রিলি পাশ! কেননা, এই বইটি আমার ৩৪তম বিসিএস থেকে ৩৮তম বিসিএস পর্যন্ত দীর্ঘ ৫টি  বিসিএসের বাস্তব অভিজ্ঞা,  সকল নোট, সাজেশন ও টেকনিক দিয়ে রচিত। একটা বিষয় খেয়াল করবেন, কেউ অল্প পড়েও বিসিএস টিকে যায়, কেউ অনেক পড়েও টিকে না। আমার কেউ কেউ বার বার বিসিএস পাশ করে, কেউ আবার একবারও পাশ করতে পারে না। এর মূলে রয়েছে কৌশল ও পরিকল্পনা )

আপনি জানেন কি বিসিএস প্রিলি পাশ করার পর বিসিএস রিটেনের কি কি সাবজেক্টের পরীক্ষা হয় এবং কি কি বিষয়ের উপর?

আপনি জানেন কি বিসিএস প্রিলি পাশ করার পর বিসিএস রিটেনের কি কি সাবজেক্টের পরীক্ষা হয় এবং কি কি বিষয়ের উপর?
.
না জানা থাকলে আসুন জেনে নেই। আমরা সবাই জানি বিসিএস প্রিলি হয় ২০০ নম্বরের, ভাইভা হয় ২০০ নম্বরের। কিন্তু রিটেন কত নম্বরের হয়???
শুধু জেনারেল ক্যাডার দিলে ৯০০ নম্বরের রিটেন/ আমার শুধু প্রফেশনাল বা টেকনিক্যাল ক্যাডার দিলে ৯০০ নম্বরের রিটেন পরীক্ষা দিতে হয়। কিন্তু বোথ ক্যাডার দিলে ১১০০ নম্বরের রিটেন পরীক্ষা দিতে হয়। বিষয়গুলো হলো:
*বাংলা -২০০(১ম ও ২য় পত্র)
*ইংরেজি -২০০(১মম ও ২য় পত্র)
* গণিত - ১০০ (সাধারণ গণিত ৫০+ মানসিক দক্ষতা ৫০)
* বাংলাদেশ বিষয়াবলী - ২০০( সাধারণ বিষয়াবলী ১৫০+ মুক্তিযুদ্ধ ৫০)
*আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী -১০০
*বিজ্ঞান, কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি - ১০০
সাধারণ ক্যাডারদের জন্য এই মোট ৯০০.
*প্রফেশনাল ক্যাডার/টেকনিক্যাল ক্যাডারদের আরো ২০০ নিজ নিজ সাবজেক্ট এর উপর পরীক্ষা দিতে হয়।
*তবে কেউ যদি বোথ ক্যাডার না দিয়ে শুধু প্রফেশনাল /টেকনিক্যাল ক্যাডার দেয় তাহলে তাকে বাংলা ২য় পত্র পরীক্ষা দিতে হবে না এবং বিজ্ঞান বিষয়ে ১০০ নম্বরের পরীক্ষা দিতে হবে না।
*** এখানে উল্লেখ্য যে ২০০ নম্বরের পরীক্ষা অর্থাৎ প্রথম পত্র ও দ্বিতীয় পত্র একসাথে ৪ ঘণ্টা ব্যাপী হয় এবং ১০০ নম্বরের পরীক্ষা ৩ ঘন্টা ব্যাপী হয়।
.
বিসিএস রিটেন পাশ করতে হলে গড়ে কমপক্ষে ৫০% নম্বর পেতে হবে।
.
*ধন্যবাদ
_________________________________
©©© গাজী মিজানুর রহমান
***৩৫তম বিসিএস ক্যাডার ও সাবেক সিনিয়র অফিসার, পূবালী ব্যাংক লিমিটেড।
***প্রতিষ্ঠাতা ও পরিচালক: BCS টেকনিক (বিসিএস প্রাইভেট প্রোগ্রাম)
©©© লেখক: BCS Preliminary Analysis ( বিসিএস প্রিলির ধারণা সম্পূর্ণ বদলে দিতে শীঘ্রই আসছে বাংলাদেশের প্রথম বিসিএস প্রিলির সাজেশনভিত্তিক বই- BCS Preliminary Analysis। এই এক বই বুঝে বুঝে পড়লে ইনশাল্লাহ প্রিলি পাশ!)

***পাবলিক ভার্সিটি থেকে এতো স্টুডেন্ট BCS ক্যাডার হয় কিন্তু অন্য ভার্সিটি থেকে এতো কম কেন?

***পাবলিক ভার্সিটি থেকে এতো স্টুডেন্ট BCS ক্যাডার হয় কিন্তু অন্য ভার্সিটি থেকে এতো কম কেন?
.
এই প্রশ্নের ব্যাখ্যা একেকজন একেকজনের মতো করে দিবে। আর  দেয়াটাই স্বাভাবিক।  কিন্তু আমি আজ আমার ব্যক্তিগত জীবনের অভিজ্ঞতা থেকে কিছু শেয়ার করবো।
আমি মনে করে করি এর পিছনে প্রধানত ৩টি কারণ নিহিত।
.
১. অন্য ইউনিভার্সিটির স্টুডেন্টদের অধিকাংশই পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য ট্রাই করার পর কোথাও চান্স না পেয়ে (কিছু ব্যতিক্রম ছাড়া) ন্যাশনালে বা পাইভেটে ভর্তি হয়। এরপর তারা ভাবে আমাকে দিয়ে আর কিছুই হবে না, পাবলিক ইউনিভার্সিটিতে চান্স হলো না! আর এখানেই তারা ৫০% হেরে যায়। পাবলিক ভার্সিটি চান্স পাওয়াই জীবনের সব সফলতা নয়, জীবনের বড় বিষয় হলো আপনি পড়াশোনার মাধ্যমে যে ক্যারিয়ার গড়তে চান, ফাইনালি সেই ক্যারিয়ার কে গড়তে পারলো, আর কে পারলো না সেটাই বড় বিষয়।
.
২. যথাযথ গাইডলাইনের অভাব। প্রত্যেক বছর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ অন্যান্য পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় থেকে শত শত স্টুডেন্ট বিসিএস ক্যাডার হয়। ফলে যারা পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ে তারা সহজেই বিসিএস ক্যাডারদের সান্নিধ্য পায় এবং তারা কাছ থেকে টিপস ও গাইডলাইন নিয়ে BCS-সহ অন্যান্য চাকরির প্রস্তুতিতে এগিয়ে যায়। অনার্স-মাস্টার্স শেষ হওয়ার আগেই যেখানে তারা বিসিএস ও জব রিলেটিভ ম্যাক্সিমাম বই পড়ে শেষ করে ফেলে, যেখানে অনার্স-মাস্টার্স শেষ করার পড় অন্য ইউনিভার্সিটির অধিকাংশ স্টুডেন্ট জানতে চায় বিসিএস, ব্যাংক ইত্যাদি পরীক্ষার জন্য কী কী বই পড়ব?
.
৩. ন্যাশনাল বা প্রাইভেট ইউনিভার্সিটির অধিকাংশ স্টুডেন্টের কাছে পড়াশোনাটা অপশনাল বিষয় আর অন্য সকল বিষয় অধিক গুরুত্বপূর্ণ । তারা বেশির সময় দেখা যায় কেবল পরীক্ষার আসলে কিছুটা পড়াশোনা করে, সারা বছর বইয়ের সাথে কোনো যোগাযোগ নেই। এমনও অনেক স্টুডেন্ট দেখেছি তারা অনার্স-মাস্টার্সের কোন দিন কোন পরীক্ষা দিচ্ছে পরীক্ষার হলে প্রশ্ন হাতে পাওয়ার আগ পর্যন্ত বলতে পারে না। যেখানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন স্টুডেন্ট সকাল ৮টায় সেন্ট্রাল লাইব্রেরিতে ঢুকার জন্য সকাল ৬.৩০ থেকে লাইন ধরে দেড় ঘণ্টা সময় পড়ার সিট পাওয়ার জন্য লাইনে অপেক্ষা করে সেখানে খুব কম স্টুডেন্ট আছে ন্যাশনাল বা প্রাইভেট ইউনিভার্সিটির যে দৈনিক দেড় ঘণ্টা পড়ে না।
* মূল কথা হলো BCS-সহ যে কোনো চাকরির পরীক্ষার জন্য আত্মবিশ্বাসটা অনেক বড় বিষয় সাথে যথাযথ গাইডলাইন।  যেমন আরব জাতি যখন সুপথ হারিয়ে ফেলেছিল তখন মহান আল্লাহ তা'য়ালা হযরত মুহাম্মদ (স) প্রেরণ করেছিলেন তাদের গাইডলাইন প্রদানের জন্য । অতএব গাইডলাইন বড় একটি বিষয় লাইফে সাকসেস হতে গেলে।
আসলে কোনো বিশ্ববিদ্যালয় বা সাবজেক্ট  কাউকে ভালো জব পাইয়ে দেয় না, সেটা জন্য নিজেই চেষ্টা শ্রম থাকা লাগে। সেই জন্য পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের সবাই BCS ক্যাডার কিংবা ব্যাংকার হয় না, ন্যাশনাল ও প্রাইভেট  ইউনিভার্সিটি থেকেও অনেকের হয় । পার্থক্য হলো কম আর বেশি। আপনি দেখুন না, যদি শুধু পাবলিক ভার্সিটি আর ভালো সাবজেক্ট (তথা কথিত ভালো সাবজেক্ট!) এর স্টুডেন্টরাই শুধু BCS ক্যাডার, ব্যাংকার, ভালো ভালো অন্যান্য জব পেতে বাংলাদেশের আরা কেউ BCS ক্যাডার, ব্যাংকার হতে পারতো না,  ভালো জব পেত না।  সেইজন্যই বলি, যে আত্মবিশ্বাসী ও পরিশ্রমী  সে যেখানেই পড়ুক না কেন আর যে সাবজেক্টেই পড়ুক না কেন সে ভালো করবেই। পাবলিক ইউনিভার্সিটি থেকে শুধু যারা পরিশ্রম, টেকনিক অবলম্বন  করেছে তারা যেমন চাকরি পেয়েছে, সবাই পায়নি। ঠিক তেমনিভাবে ন্যাশনাল, প্রাইভেট ভার্সিটি থেকেও যারা পরিশ্রম করেছে, টেকনিক অবলম্বন করেছে শুধু তারা বিসিএস ক্যাডার,  ব্যাংকার হয়েছে,  ভালো জব পেয়েছে।
সারকথা হলো জীবন সফল হতে গেলে বড় স্বপ্ন থাকতে হবে, সেই স্বপ্ন পূরণের ইচ্ছা থাকতে হবে আর সেই ইচ্ছা পূরণের জন্য দৃঢ়তার সাথে নিরলস পরিশ্রম করতে হবে, বিশ্ববিদ্যালয় কিংবা সাবজেক্ট কোনোটাই বড় বিষয় নয়। BCS-টা হলো আত্মবিশ্বাস, টেকনিকের খেলা। যার মধ্যে এই দুটি বিষয় থাকবে সে ৫০% এগিয়ে যাবে, আর বাকি ৫০% তাকে পড়াশোনা করে অর্জন করতে হবে।  আর তাই আত্মবিশ্বাসীরা অল্প পড়েও টেকনিক অবলম্বন করে বিসিএসে বারবার টিকে যায় আর অনেকে আছে রাত-দিন পড়েও একবারও টিকে না আত্মবিশ্বাস ও টেকনিকের অভাবে।
*একটি বিষয় মনে রাখবেন, কে কোন ভার্সিটিতে পড়েছে,  কোন বিষয়ে পড়েছে সেটা বড় কথা নয়, পড়াশোনা শেষ করে কে কী করতে পেরেছে সেটাই বড় কথা।
__________________________________
©©© গাজী মিজানুর রহমান
***৩৫তম বিসিএস ক্যাডার ও সাবেক সিনিয়র অফিসার, পূবালী ব্যাংক লিমিটেড।
***প্রতিষ্ঠাতা ও পরিচালক: BCS টেকনিক (বিসিএস স্পেশাল প্রাইভেট প্রোগ্রাম)
©©© লেখক: BCS Preliminary Analysis ( বাংলাদেশে  প্রথম বিসিএস প্রিলির সাজেশনভিত্তিক পূর্ণাঙ্গ বই)

***কীভাবে সহজে সরকারি চাকরি পাবেন?

***কীভাবে সহজে সরকারি চাকরি পাবেন?
.
আমি অনেককেই দেখেছি অনার্স-মাস্টার্স শেষ করে চাকরি পাওয়া-না পাওয়া নিয়ে দু:চিন্তায় ভুগছেন। আবার অনেকে আছে এখনো অনার্সে পড়ছেন কিন্তু ভবিষ্যতে আদৌ কি কোনো চাকরি বাকরি হবে কি না এই নিয়ে টেনশনে পড়া হচ্ছে না। আবার অনেকে হাল ছেড়ে দিয়েছেন।
আমি বলবো,  এই দু:শ্চিন্তা খারাপ দিক নয় বরং ভালো দিক আপনার জন্য যদি আপনি তা পড়াশোনায় প্রয়োগ করতে পারেন মানে সেই জন্য বেশি বেশি পড়তে পারেন।
আমি বলি আপনি যদি একবার ভালো করে চাকরির প্রস্তুতি গ্রহণ করেন বিশেষ করে BCS এর প্রস্তুতি,  তাহলে তা আপনার জন্য এটা অনেক বড় কাজে দিবে।
আমি গাজী মিজানুর রহমান, আমি আমার বাস্তব জীবনের অভিজ্ঞতা থেকে বলছি, আমি অনার্স শেষ করার পর মাস্টার্সে পড়া অবস্থায় লাইফের প্রথম চাকরির ইন্টারভিউ দিলাম "মাই ওয়ান ইলেক্ট্রনিকস"-এ Assistant Regional Manager হিসেবে। পোস্টিং দিল গাজীপুর জেলায়। কিন্তু আমার এলাকার বড়  ভার্সিটির ভাই যারা আমাকে ভালোভাবে চিনে, জানে তারা বলল, তোমার এখন প্রাইভেট চাকরিতে ঢোকা ঠিক হবে না তাহলে তোমার যে বিসিএস ক্যাডার হওয়ার স্বপ্ন তা আর পূরণ হবে না। ওখানে গেলে আর পড়াশোনাই করতে পারবে না।
প্রথম প্রথম কেমন জানি লাগল, লাইফের প্রথম চাকরির ইন্টার্ভিউ,  আর সেই ফার্স্ট ইন্টার্ভিউতে টিকলাম আর চাকরিটা করবো না!
পরে দেখলাম,  চাকরিতে জয়েন না করাটা আমার জন্য ভালোই  হলো। আমার লাইফের প্রথম বিসিএস, ৩৪তম বিসিএস সেখানে প্রিলি, রিটেন, ভাইভা পাশ করার পরও কোনো ক্যাডার পেলাম না। পেলাম PSC এর সেকেন্ড ক্লাস নন-ক্যাডার জব। যোগদান করলাম না, এর মাঝে পূবালী ব্যাংকে সিনিয়র অফিসার হিসেবে চাকরি হয়ে গেল। ব্যাংকে চাকরি অবস্থায় সারাদিন অফিস করে পড়তে ইচ্ছে করত না। তবে মাঝে মধ্যে আগের নোট করা পড়াগুলো দেখতাম। ৩৫তম বিসিএসে ক্যাডার হলাম। শিক্ষা ক্যাডার হিসেবে ব্যাংক জব ছেড়ে বিসিএসে যোগদান করলাম। এডমিন হয়ার মনসে ৩৬তম বিসিএস দিলাম, টিকলাম কিন্তু কোনো ক্যাডার দেয় নি PSC । আবার এই বছরের জানুয়ারি মাসের ২ তারিখ ৩৭তম বিসিএস ভাইভা দিয়ে আসলাম শ্রদ্ধেয় মুখলেসুর রহমান স্যারের বোর্ডে জানি না আল্লাহ কপালে কি রেখেছে। সর্বশেষ ৩৮তম বিসিএস প্রিলি দিলাম সেটাও টিকলাম। এই নিয়ে মোট ৫বার বিসিএস পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করলাম, আল্লাহর রহমতে ৫বারই টিকলাম, একবারও ফেল করিনি।
তাই বলি হতাশ হবেন না, ভালো করে পড়াশোনা করুন। ভালো কিছু হবেই।  পড়াশোনার ক্ষেত্রে অধিক মনোযোগী হতে হবে, হতাশ হওয়া যাবে না। আর পড়াশোনার ক্ষেত্রে টেকনিক তথা কৌশল অবলম্বন করা খুবই একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।
নিয়মিত পরিকল্পনা মাফিক পড়লে ইনশাল্লাহ সফলতা আসবেই। তাই বলি, উল্টাপাল্টা বেশি জিনিস না পড়ে কেবল গুরুত্বপূর্ণ জিনিসগুলো বারবার পড়ুন।

মনে রাখবেন, চাকরি প্রস্তুতির ক্ষেত্রে আত্মবিশ্বাস,  টেকনিক, পরিকল্পনা ও পরিশ্রমের সাথে স্বপ্ন অনেক বড় একটা বিষয়।
আচ্ছা,  আমি পারলে আপনি পারবেন না কেন? আমিও তো আপনার মতো একজন মানুষ। চেষ্টা করুন, পরিশ্রম করুন।
পরিশ্রম করলে আল্লাহ পাশে থাকে। আল্লাহ পরিশ্রমী ব্যক্তিদের অধিক ভালোবাসেন, পছন্দ করেন।
*সকলের জন্য শুভ কামনা রইল।
__________________________________
©©© গাজী মিজানুর রহমান
***৩৫তম বিসিএস ক্যাডার ও সাবেক সিনিয়র অফিসার, পূবালী ব্যাংক লিমিটেড।
***প্রতিষ্ঠাতা ও পরিচালক: BCS টেকনিক (বিসিএস স্পেশাল প্রাইভেট প্রোগ্রাম)
©©© লেখক: BCS Preliminary Analysis ( বাংলাদেশে  প্রথম বিসিএস প্রিলির সাজেশনভিত্তিক পূর্ণাঙ্গ বই)