>>>শুধু বিসিএস পরীক্ষার প্রস্তুতিই নিবেন কেন???
.
বিসিএস ক্যাডার বা ভালো সরকারি চাকরি এমন একটা জিনিস যা আপনার পুরো জীবনকে পালটে দিতে পারে। যারা আজ আপনাকে তুচ্ছতাচ্ছিল্য করে হেয় প্রতিপন্ন করছে, আপনি বিসিএস ক্যাডার হলে তারাই প্রথমে আপনাকে অভিনন্দন জানাবে, তারাই বেশি আপনার প্রশংসা করবে।
আমার অনেক কাছের বন্ধু-বান্ধব, বড় ভাই, ছোট ভাইকে দেখেছি যারা চাকরির জন্য অনেক পড়েছে কিন্তু কোনো চাকরি হয়নি ; কিন্তু শেষে দেখা গেছে তার জীবনের প্রথম চাকুরিটাই হলো বিসিএস ক্যাডার হিসেবে!
আবার অনেককে এমন দেখেছি যারা ভালো করে করে বিসিএস পরীক্ষার প্রস্তুতি নেওয়াতে বিসিএস ক্যাডার না হতে পারলেও ভালো সরকারি চাকরি পেয়েছে কিংবা ব্যাংকে জব হয়েছে। এই জন্য বিসিএস পরীক্ষার প্রস্তুতিকে বলা হয় "Mother of All Jobs Preparation"।
.
সাম্প্রতিক সময়ে দেখা গেছে কেউ যদি বিসিএস প্রিলি, রিটেন, ভাইভা পাশ করে তাহলে বিসিএস ক্যাডার হতে না পারলেও কোনো প্রকার ঘুষ, তদবির ছাড়াই সরকারি নন-ক্যাডার ফার্স্ট ক্লাস বা সেকেন্ড ক্লাস জব পাচ্ছে, যা অনেক সম্মানের।
.
*অনেকে মনে করেন, "বিসিএস ক্যাডার হতে গেলে অনেক বেশি পড়তে হয়; যেহেতু আমি অন্যদের মতো এতো বেশি পড়তে পারি না পড়ার সুযোগ নেই, অতএব আমার দ্বারা বিসিএস ক্যাডার হওয়া সম্ভবপর নয়।"
এটা ভাবলে সত্যিই আপনি আর বিসিএস ক্যাডার হতে পারবেন না। কারণ আপনি পরীক্ষা দেয়ার আগেই ফেল করে ফেলেছন। আপনাকে পজিটিভ কিছু ভাবতে হবে। আপনাকে ভাবতে হবে, "আমার দ্বারাই হবে। যারা বিসিএস ক্যাডার হয় তারা ভিনগ্রহ থেকে আসেন নাই; তারা আমার মতোই একজন মানুষ। তারা পারলে আমি পারবো না কেন?"
.
আর হ্যাঁ, বিসিএস ক্যাডার হতে গেলে অনেক বেশি পড়তে হয় যারা বলে তাদের সাথে আমি সম্পূর্ণ একমত নয়। আমি মনে করি, পরিকল্পনা মাফিক সঠিক গাইডলাইন অনুযায়ী কেবল গুরুত্বপূর্ণ
বিষয়গুলো পড়লেই সহজে প্রিলি পাশ করা যায়। কারণ ২০০ নম্বরের বিসিএস প্রিলিতে আপনার ১৮০-১৯০ পাওয়ার দরকার নেই। ১২০ নম্বর পেলে বিসিএস প্রিলির যেকোনো পরীক্ষায় সেইফ জোন ধরা হয়। আপনি দেখবেন, ৩৮তম বিসিএস প্রিলিতে অনেকেই প্রথম প্রথম বলেছে, প্রশ্ন সহজ হয়েছে এই প্রশ্নে ১৪০-১৫০ না পেলে প্রিলি পাশ করা পসিবল না। কিন্তু শেষ পর্যন্ত কী হলো, ১১০-১১৫ নম্বর পেয়ে ঠিকেছে!
কিন্তু এতো সহজ প্রশ্নেও এতো কমন নম্বর পাওয়ার কারণ কী?
মূল কারণ হলো, বেশি বেশি পড়ে মাথা নষ্ট করে পরীক্ষার হলে কমন ও সহজ প্রশ্নের উত্তর দিতে মূল করে। তাই আমি বলি,! কম পড়বেন কিন্তু Important বিষয়গুলো গুছিয়ে পড়বেন।"
দেখবেন কত সহজে বিসিএস প্রিলি পাশ করা যায়! আর আমি ব্যক্তিগতভাবে এই আইডিয়াকে কাজে লাগিয়ে ৩৪তম বিসিএস থেকে শুরু ৩৮তম বিসিএস পর্যন্ত ৫টি বিসিএস দিয়েছি আর ৫ টি BCS-ই পাশ করেছি; এমন কি আমি ব্যাংকের কাজের এতো চাপের মধ্যেও প্রিলিতে ফেল করিনি।
আরেকটি বিষয় খেয়াল করবেন কেউ এমন আছে যে, অল্প পড়েও বার বার বিসিএস পাশ করছে, আমার কেউ কেউ এমন আছে ৫-৬ বছর ধরে রাত-দিন পড়েও একবারও বিসিএস প্রিলি পাশ করতে পারে না। এখানে মূল কারণ হলো পড়ার টেকনিক, গাইডলাইন। বিসিএসে একটা গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো আপনি সকল টপিক না পড়ে কি কি টপিক পড়বেন সেটা সঠিকভাবে সিলেক্ট করা। আর আপনি যদি এই কাজটি করে ফেলতে পারবেন, এখানেই আপনার বিসিএস প্রলি প্রস্তুতি অর্ধেক শেষ! আর বাকি অর্ধেক হলো আপনার পরিশ্রম ও ভাগ্য।
.
*আর তাই বিসিএস ও সরকারি চাকরির প্রার্থীদের কথা ভেবেই শুধু গুরুত্বপূর্ণ টপিকগুলো নিয়ে বাংলাদেশের প্রথম সাজেশনভিত্তিক বিসিএস প্রিলির পূর্ণাঙ্গ বই "BCS Preliminary Analysis" রচিত। এই বইয়ে সব বিষয়ের শুধু গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো সাজেশন আকারে গুছিয়ে দেয়া হয়েছে। অতএব এই বইটি পড়লে আপনাকে আর চিন্তা করতে হবে না কোন বিষয়টি বেশি Important আর কোনটি কম Important। কেননা, আমরা এই বইটিতে সেই বিষয়গুলো সুন্দরভাবে আলোচনার মাধ্যমে তুলে ধরেছি।
.
*BCS Preliminary Analysis বইটিতে সকলের বিষয়ের ব্যাখ্যাসহ বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে, সাথে মনে রাখার সহজ টেকনিক আছে। বইটি সম্পর্কে শুধু এইটুকু বলতে চাই, যারা বইটি হাতে পেয়েছেন, তারা বুঝবেন কেন বইটি অন্যান্য বই থেকে আলাদা ও কেন বাজারে এতো চাহিদা থাকা সত্ত্বেও আমি বইটি প্রকাশ করতে বেশি সময় নিয়েছি। BCS Preliminary Analysis বইটিতে সকল বিষয় এমনভাবে গুছিয়ে দেয়া হয়েছে টেকনিক ও সাজেশন আকারে যা অন্য কোনো বইয়ে পাবেন না।
.
*মনে রাখবেন, একটি ভালো বই আর একটি ভালো সিদ্ধান্ত বদলে দিতে পারে আপনার পুরো জীবন।
.
সবার জন্য অনেক অনেক শুভ কামনা রইল।
ধন্যবাদ।
____________________________________
©গাজী মিজানুর রহমান
*৩৫তম বিসিএস ক্যাডার ও সাবেক সিনিয়র অফিসার, পূবালী ব্যাংক লিমিটেড।
***প্রতিষ্ঠাতা ও পরিচালক: BCS টেকনিক (বিসিএস স্পেশাল প্রাইভেট প্রোগ্রাম)
© লেখক: BCS Preliminary Analysis ( বিসিএস প্রিলির গতানুগতিক ধারণা সম্পূর্ণ বদলে দিতে বাংলাদেশের প্রথম বিসিএস প্রিলির সাজেশনভিত্তিক পূর্ণাঙ্গ বই- "BCS Preliminary Analysis", এই এক বই ব্যাখ্যাসহ বুঝে বুঝে পড়লে ইনশাল্লাহ প্রিলি পাশ! কেননা, এই বইটি আমার ৩৪তম- ৩৮তম বিসিএস পর্যন্ত দীর্ঘ ৫টি বিসিএসের বাস্তব অভিজ্ঞতা, সকল নোট, সাজেশন ও টেকনিক দিয়ে বইটি রচিত)
Monday, 23 July 2018
Home »
BCS Preliminary
,
BCS Preliminary Analysis
» >>>শুধু বিসিএস পরীক্ষার প্রস্তুতিই নিবেন কেন???
.






বিসিএস প্রস্তুতি কে একটু এগিয়ে রাখতে ক্লাস ৮,৯ এর ম্যাথ, বাংলা,ইংরেজি ও সমাজ সাব্জেক্ট গুলোর টিউশনি করান, অনেক কিছু না পড়েও এগিয়ে থাকবেন, রিভাইজ দেওয়ার সময় চাপ কমে যাবে।
ReplyDeleteঅনাররস ফার্স্ট ইয়ার থেকেই শুরু করুন আপনার ক্যারিয়ার গড়ার চেষ্টায়।
ক্যারিয়ার নিয়ে জানতে দেখতে পারেন
https://www.doctorsgang.com/2020/11/Career-guidelines-after-mbbs-BCS-info .html?m=1